পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি এ নিয়ে আজকের আর্টিকেল আলোচনা করা হচ্ছে। পাসপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে অধিকাংশ মানুষ নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়। তার মধ্যে একটা হলো পুলিশ ভেরিফিকেশন না আসা বা দেরিতে আসা।
এটা অনেক সময় আমাদেরকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দেয়। যদি আপনি পাসপোর্ট করতে গিয়ে এমন সমস্যায় পড়েন তাহলে কি করবেন সেটি জনতে পারবে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার মাধ্যমে। চলুন এবার বিস্তারিত জানা যাক।
পেজ সূচিপত্রঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
- পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
- পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন বাধ্যতামূলক হয়
- পাসপোর্ট আবেদন করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন কীভাবে শুরু হয়
- কোন থানায় ভেরিফিকেশন ফাইল যায়
- পুলিশ ভেরিফিকেশন না হওয়ার কারণসমূহ
- থানায় সরাসরি যোগাযোগ করার নিয়ম
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুতির ধাপ
- ঠিকানা ভেরিফিকেশন সমস্যার সমাধান
- জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) তথ্য মিল না থাকলে করণীয়
- পুলিশ রিপোর্ট দেরি হলে করণীয়
- দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে চলার সতর্কতা
- অফিসিয়াল নিয়মে ফলোআপ করার পদ্ধতি
- পুলিশ ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস চেক করার উপায়
- দীর্ঘ সময় ভেরিফিকেশন আটকে থাকলে করণীয়
- পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল অভিযোগ দেওয়ার নিয়ম
- আইনগতভাবে বৈধ সমাধান পদ্ধতি
- মন্তব্যঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
পাসপোর্ট করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলোর একটি হলো পুলিশ ভেরিফিকেশন। অনেক
সময় দেখা যায়, পাসপোর্টের আবেদন সম্পন্ন হলেও পুলিশ ভেরিফিকেশন না হওয়ায় পুরো
প্রক্রিয়া আটকে যায়। ফলে পাসপোর্ট পাওয়া দেরি হয়, কখনো আবার আবেদনকারীর মনে
বিভ্রান্তি ও দুশ্চিন্তা তৈরি হয়, আসলে কী কারণে ভেরিফিকেশন হচ্ছে না, আর কীভাবে
সমস্যার সমাধান করা যায়। বাংলাদেশে পাসপোর্ট সংক্রান্ত পুলিশ ভেরিফিকেশন একটি
নির্দিষ্ট নিয়ম ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
তবে ঠিকানা তথ্যের অসামঞ্জস্য, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতি, থানায় ফাইল পৌঁছাতে
দেরি বা যোগাযোগের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে এই ভেরিফিকেশন বিলম্বিত হতে পারে। এ
ধরনের পরিস্থিতিতে ভুল পথে না গিয়ে, আইনসম্মত ও সঠিক উপায়ে সমস্যার সমাধান করা
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই আর্টিকেলে আমরা সহজ ভাষায় জানবো, পাসপোর্ট পুলিশ
ভেরিফিকেশন না হলে কী করণীয়, কেন এই সমস্যা হয়, এবং কীভাবে নিরাপদ ও বৈধ উপায়ে
দ্রুত সমাধান পাওয়া সম্ভব।
পুলিশ ভেরিফিকেশন কেন বাধ্যতামূলক হয়
পাসপোর্ট শুধু একটি ভ্রমণ নথি নয়, এটি একজন নাগরিকের পরিচয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ
সরকারি প্রমাণ। তাই সরকার নিশ্চিত হতে চায়, যে ব্যক্তি পাসপোর্টের জন্য আবেদন
করেছেন, তিনি সত্যিই সেই ব্যক্তি কিনা, তাঁর ঠিকানা, পরিচয় ও তথ্য সঠিক কিনা। এই
যাচাইয়ের জন্যই পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের
মাধ্যমে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা আবেদনকারীর স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা,
জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য,
পারিবারিক পরিচয় এবং স্থানীয়ভাবে তাঁর পরিচিতি যাচাই করেন। এতে ভুয়া পরিচয়, জাল
কাগজপত্র বা ভুল তথ্য দিয়ে পাসপোর্ট নেওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। এছাড়া জাতীয়
নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের
নাগরিকদের বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজভাবে বললে, সঠিক ব্যক্তি যেন সঠিক তথ্য দিয়ে
পাসপোর্ট পান, এই নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্যই পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
পাসপোর্ট আবেদন করার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন কীভাবে শুরু হয়
পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার পর অনেকের মনে প্রশ্ন আসে, পুলিশ ভেরিফিকেশন আসলে কখন
এবং কীভাবে শুরু হয়? বাস্তবে এই প্রক্রিয়াটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু হয়, আবেদনকারীকে
আলাদা করে কোনো আবেদন করতে হয় না। আপনি যখন পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে বায়োমেট্রিক
তথ্য, ছবি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন, তখন আপনার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাসপোর্ট
সিস্টেমে সংরক্ষিত হয়। এরপর সেই তথ্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়, যেখানে আপনার
স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী পুলিশ ভেরিফিকেশনের ফাইল তৈরি করা হয়।
থানায় ফাইল পৌঁছানোর পর দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা আবেদনকারীর তথ্য যাচাইয়ের
কাজ শুরু করেন। সাধারণত ঠিকানা যাচাই, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে দেখা এবং
স্থানীয়ভাবে পরিচয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করা হয়। অনেক
ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি বাড়িতে এসে তথ্য যাচাই করেন, আবার কখনো
আবেদনকারীকে থানায় উপস্থিত হতে বলা হয়। সহজভাবে বলতে গেলে, পাসপোর্ট আবেদন
সম্পন্ন হওয়ার পর পাসপোর্ট অফিস থেকে থানায় তথ্য পাঠানোই পুলিশ ভেরিফিকেশন শুরু
হওয়ার মূল ধাপ।
কোন থানায় ভেরিফিকেশন ফাইল যায়
পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন সাধারণত আবেদনকারীর ঠিকানার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট
থানায় পাঠানো হয়। অর্থাৎ, আপনি পাসপোর্ট আবেদন ফর্মে যে স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানা
দিয়েছেন, সেই এলাকার থানায় আপনার ভেরিফিকেশন ফাইল যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুলিশ
ভেরিফিকেশন ফাইল যায় আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানার থানায়। তবে যদি আবেদনকারী বর্তমান
ঠিকানায় বসবাস করেন এবং সেটি পাসপোর্ট আবেদনে উল্লেখ করা থাকে, তাহলে কখনো কখনো
বর্তমান ঠিকানার থানাতেও যাচাই করা হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের সুন্দর জায়গা ২০২৬
পাসপোর্ট অফিস থেকে আপনার তথ্য ডিজিটালভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়। এরপর
থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেই তথ্য অনুযায়ী ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু
করেন। তাই অনেক সময় আবেদনকারী বুঝতে পারেন না, ফাইল কোন থানায় গেছে, কারণ এটি
সরাসরি থানায় পাঠানো হয়, আলাদা কোনো নোটিশ নাও আসতে পারে। সহজভাবে বললে, পাসপোর্ট
ভেরিফিকেশন ফাইল সবসময় আপনার ঠিকানাভিত্তিক থানায় যায়, যেখানে আপনার পরিচয় ও
ঠিকানা সবচেয়ে সহজে যাচাই করা সম্ভব।
পুলিশ ভেরিফিকেশন না হওয়ার কারণসমূহ
পাসপোর্টের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন না হওয়ার পেছনে সাধারণত কিছু বাস্তব ও
প্রশাসনিক কারণ থাকে। অনেক সময় আবেদনকারীরা মনে করেন, ইচ্ছাকৃতভাবে ভেরিফিকেশন
করা হচ্ছে না, কিন্তু বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হয় তথ্যের
অসামঞ্জস্য বা প্রক্রিয়াগত জটিলতার কারণে। প্রথমত, আবেদন ফর্মে দেওয়া ঠিকানার
সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা মিল না থাকলে ভেরিফিকেশন আটকে যেতে পারে। পুলিশ
যখন ঠিকানা যাচাই করতে যায়, তখন তথ্যের পার্থক্য ধরা পড়লে তারা রিপোর্ট পাঠাতে
বিলম্ব করে।
দ্বিতীয়ত, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র অসম্পূর্ণ বা ভুল হলে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয় না।
যেমন, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, জন্মসনদ, ঠিকানার প্রমাণ বা অন্যান্য তথ্য ঠিকভাবে
না থাকলে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারে না। তৃতীয়ত, থানায় ফাইল পৌঁছাতে দেরি হওয়া একটি
সাধারণ কারণ। কখনো কখনো পাসপোর্ট অফিস থেকে থানায় ফাইল পাঠাতে সময় লাগে, ফলে
ভেরিফিকেশন শুরু হতে বিলম্ব হয়। চতুর্থত, আবেদনকারী বাড়িতে উপস্থিত না থাকা বা
স্থানীয়ভাবে পরিচয় নিশ্চিত না হওয়াও একটি বড় কারণ।
অনেক সময় পুলিশ কর্মকর্তা ঠিকানা যাচাই করতে গিয়ে আবেদনকারী বা পরিবারের সদস্যদের
না পাওয়ায় রিপোর্ট দিতে পারেন না। পঞ্চমত, নামের বানান, জন্মতারিখ বা অন্যান্য
ব্যক্তিগত তথ্যের ভুল থাকলে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া স্থগিত থাকতে পারে। এসব ছোট
ভুলও বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সবশেষে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা বা মামলার চাপের
কারণেও অনেক সময় পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সমস্যা
সমাধান সম্ভব, যদি সঠিকভাবে কারণগুলো চিহ্নিত করা যায়।
থানায় সরাসরি যোগাযোগ করার নিয়ম
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন দেরি হলে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সংশ্লিষ্ট থানায়
সরাসরি যোগাযোগ করা। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না, কীভাবে যোগাযোগ করলে সঠিকভাবে
বিষয়টি সমাধান করা যায়। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, আপনার ভেরিফিকেশন ফাইল কোন থানায়
পাঠানো হয়েছে। সাধারণত পাসপোর্ট আবেদনে দেওয়া ঠিকানার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট থানায়
ফাইল যায়। নিশ্চিত হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে থানায় উপস্থিত হওয়া ভালো,
সাধারণত অফিসিয়াল কার্যদিবসে সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে যোগাযোগ করলে দ্রুত সাড়া
পাওয়া যায়। থানায় গেলে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে শালীন ও ভদ্রভাবে কথা বলা
উচিত।
আপনার পাসপোর্ট আবেদন সংক্রান্ত তথ্য, যেমন, আবেদন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখা জরুরি। এতে পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে আপনার ফাইল
খুঁজে বের করা সহজ হয়। অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা অতিরিক্ত তথ্য বা কাগজপত্র
চাইতে পারেন। সেক্ষেত্রে দ্রুত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করলে ভেরিফিকেশন
প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। কোনো ভুল তথ্য থাকলে তা সংশোধনের নির্দেশনাও থানায় পাওয়া
যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অবৈধ উপায় বা দালালের আশ্রয় না নিয়ে অফিসিয়াল
নিয়মে যোগাযোগ করা। এতে সমস্যার স্থায়ী ও নিরাপদ সমাধান সম্ভব হয়।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুতির ধাপ
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন দ্রুত সম্পন্ন করতে হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকেই
সঠিকভাবে প্রস্তুত রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় ভেরিফিকেশন দেরি হওয়ার মূল
কারণই হয় প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের ঘাটতি বা ভুল তথ্য। সবার আগে জাতীয় পরিচয়পত্র
(NID)-এর মূল কপি ও ফটোকপি সঙ্গে রাখতে হবে। কারণ পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় সবচেয়ে
বেশি যাচাই করা হয় জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য। যদি আবেদনকারী অপ্রাপ্তবয়স্ক হন,
তাহলে জন্মসনদ ও অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন হতে পারে। এরপর পাসপোর্ট
আবেদন ফর্মের কপি বা আবেদন নম্বর প্রস্তুত রাখা উচিত।
এতে পুলিশ কর্মকর্তার পক্ষে আপনার ফাইল খুঁজে বের করা সহজ হয়। পাশাপাশি বর্তমান ও
স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, ওয়ার্ড কাউন্সিলরের
প্রত্যয়নপত্র বা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সনদ অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক হয়। যদি নামের
বানান, জন্মতারিখ বা ঠিকানায় কোনো পার্থক্য থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংশোধনের
কাগজপত্রও সঙ্গে রাখা প্রয়োজন। এতে পুলিশ ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত না হয়ে
দ্রুত এগিয়ে যায়। সহজভাবে বলতে গেলে, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো আগে থেকেই সঠিকভাবে
প্রস্তুত রাখলে পুলিশ ভেরিফিকেশন সহজ, দ্রুত ও ঝামেলামুক্ত হয়।
ঠিকানা ভেরিফিকেশন সমস্যার সমাধান
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা দেখা যায়, তা হলো ঠিকানা
সংক্রান্ত জটিলতা। অনেক ক্ষেত্রে আবেদন ফর্মে দেওয়া ঠিকানা, জাতীয় পরিচয়পত্রের
ঠিকানা এবং বাস্তবে বসবাসের ঠিকানার মধ্যে মিল না থাকায় পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন
হতে দেরি হয়। এই সমস্যার সমাধানের জন্য প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, পাসপোর্ট আবেদনে
দেওয়া ঠিকানা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা। যদি কোনো
অসামঞ্জস্য থাকে, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য সংশোধন করা জরুরি।
প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা হালনাগাদ করা যেতে পারে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের
সময় যদি পুলিশ কর্মকর্তা ঠিকানায় গিয়ে আবেদনকারী বা পরিবারের সদস্যদের না পান,
তাহলে ভেরিফিকেশন রিপোর্ট বিলম্বিত হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাড়িতে
উপস্থিত থাকা বা পরিবারের কাউকে তথ্য দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া স্থানীয়ভাবে পরিচয় নিশ্চিত করতে কখনো কখনো প্রতিবেশী বা স্থানীয়
জনপ্রতিনিধির বক্তব্য নেওয়া হয়। তাই স্থানীয় পরিচিতি স্পষ্ট থাকলে ভেরিফিকেশন
প্রক্রিয়া সহজ হয়।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) তথ্য মিল না থাকলে করণীয়
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় জাতীয় পরিচয়পত্রের (NID) তথ্যের সঙ্গে আবেদন
ফর্মের তথ্য যদি মিল না খায়, তবে ভেরিফিকেশন বিলম্বিত বা বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এজন্য NID-এর তথ্য সঠিক ও হালনাগাদ থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রথমে যাচাই করুন,
NID-এর নাম, জন্মতারিখ এবং ঠিকানা পাসপোর্ট আবেদনের সঙ্গে একরূপ কিনা। কোনো তফাৎ
থাকলে জাতীয় পরিচয়পত্র অফিসে গিয়ে তথ্য সংশোধন বা হালনাগাদ করুন।
হালনাগাদ হওয়ার পরে সংশোধিত কাগজপত্র থানায় দেখানো জরুরি। যদি ভেরিফিকেশন
চলাকালীন এই মিলের সমস্যা ধরা পড়ে, পুলিশ কর্মকর্তা সাধারণত আবেদনকারীকে সংশোধিত
কাগজপত্র সরবরাহ করতে বলেন। দ্রুত হালনাগাদ করা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখানো
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু করতে সাহায্য করে।
পুলিশ রিপোর্ট দেরি হলে করণীয়
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি এটি জানতে হলে পুলিশ রিপোর্ট দেরি হলে
করণীয় জানতে হবে। পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন অনেক সময় সময়মতো শেষ না হওয়ার
কারণে পুলিশ রিপোর্ট দেরি হয়ে যায়। এটি ভিসিটরদের জন্য এক বড় সমস্যা হতে পারে,
তবে কয়েকটি সহজ ও আইনসম্মত ধাপ অনুসরণ করলে দ্রুত সমাধান সম্ভব। প্রথমে, থানায়
সরাসরি যোগাযোগ করুন এবং জেনে নিন, আপনার ভেরিফিকেশন ফাইলের বর্তমান অবস্থান কী।
সঙ্গেই আপনার আবেদন নম্বর,
জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। দ্বিতীয়ত, যদি থানার
কর্মকর্তারা সময়মতো রিপোর্ট না দিতে পারেন, তবে ভেরিফিকেশন বিলম্বের কারণ জেনে
নিয়ে পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল ফলোআপ করুন। অনেক সময় পাসপোর্ট অফিস থেকে থানায়
একাধিকবার অনুস্মারক পাঠানো হয়, যা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। তৃতীয়ত, অবৈধ উপায়
বা দালালের আশ্রয় না নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র অফিসিয়াল চ্যানেল ফলো
করলে সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হয় এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে না।
দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগী এড়িয়ে চলার সতর্কতা
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যায় অনেকেই দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর
কাছে সাহায্য চায়। তবে এটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ এবং আইনসম্মত নয়। দালালকে ঘিরে চলা
কাজগুলোতে প্রায়ই অতিরিক্ত খরচ, জাল কাগজপত্র বা প্রতারণার ঝুঁকি থাকে। সবচেয়ে
নিরাপদ উপায় হলো অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করা, থানায় সরাসরি যোগাযোগ করা,
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখা
এবং পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল ফলোআপ করা। এতে আপনি বিলম্ব এবং ঝামেলা কমিয়ে
নিরাপদভাবে ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে পারেন। সতর্ক থাকুন, কোনো অনলাইনে বা থানা
বাহিরের ব্যক্তি যদি দ্রুত পাসপোর্ট পাওয়ার ‘গ্যারান্টি’ দেয়, তা ভুয়া বা অবৈধ
হতে পারে। শুধু সরকারিভাবে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সমস্যা স্থায়ীভাবে
সমাধান হয়।
অফিসিয়াল নিয়মে ফলোআপ করার পদ্ধতি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন না হলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে অফিসিয়াল
ফলোআপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি করলে সময়মতো পুলিশ রিপোর্ট পাওয়া যায় এবং অবৈধ
উপায় ব্যবহারের ঝুঁকি থাকে না। প্রথমে, পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আপনার আবেদন নম্বর ও
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে বর্তমান স্ট্যাটাস জেনে নিন। অনেক সময় অফিস থেকে থানায়
একাধিক অনুস্মারক পাঠানো হয়, যা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া দ্রুত করে।
দ্বিতীয়ত, থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং শালীনভাবে
প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাগজপত্র সরবরাহ করুন। কোনো অনিশ্চয়তা থাকলে তা অফিসিয়াল চিঠি
বা ফর্মের মাধ্যমে নিশ্চিত করুন। তৃতীয়ত, নিয়মিতভাবে অনলাইনে পাসপোর্ট স্ট্যাটাস
চেক করতে পারেন। এতে ভেরিফিকেশনের অগ্রগতি বুঝতে সুবিধা হয় এবং প্রয়োজনীয় সময়
ফলোআপ করা সহজ হয়।
পুলিশ ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস চেক করার উপায়
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন কোন পর্যায়ে আছে, এটি জানা গেলে অনেক দুশ্চিন্তা কমে
যায় এবং সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়। যদিও পুলিশ ভেরিফিকেশনের
জন্য আলাদা কোনো পাবলিক অনলাইন ট্র্যাকিং সিস্টেম নেই, তবুও কয়েকটি বৈধ উপায়ে
স্ট্যাটাস জানা যায়। প্রথমত, পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে স্ট্যাটাস জানা যায়। আপনি
পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবেদন নম্বর বা রসিদ দেখিয়ে জানতে পারেন, আপনার আবেদন কোন
পর্যায়ে আছে এবং পুলিশ রিপোর্ট এসেছে কি না। অনেক সময় পাসপোর্ট অফিস থেকেই জানা
যায়, ফাইল থানায় পাঠানো হয়েছে কি না।
দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট থানায় সরাসরি যোগাযোগ করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়। থানায় গিয়ে
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে আবেদন নম্বর বা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে
জিজ্ঞাসা করলে তারা জানাতে পারেন, আপনার ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে কি না
বা রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কি না। তৃতীয়ত, অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন স্ট্যাটাস চেক
করা যায়। ই-পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন নম্বর দিয়ে স্ট্যাটাস দেখা
সম্ভব। এতে বোঝা যায়, আপনার আবেদন কোন পর্যায়ে রয়েছে, যদিও পুলিশ ভেরিফিকেশনের
বিস্তারিত তথ্য সেখানে সবসময় দেখায় না।
দীর্ঘ সময় ভেরিফিকেশন আটকে থাকলে করণীয়
পাসপোর্টের পুলিশ ভেরিফিকেশন যদি দীর্ঘ সময় ধরে আটকে থাকে, তাহলে আতঙ্কিত হওয়ার
কিছু নেই। বরং সঠিকভাবে কারণ শনাক্ত করে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান
সম্ভব। প্রথমে নিশ্চিত করুন, আপনার ভেরিফিকেশন ফাইল সত্যিই সংশ্লিষ্ট থানায়
পৌঁছেছে কি না। এজন্য পাসপোর্ট অফিসে যোগাযোগ করে আবেদন নম্বর দিয়ে তথ্য জেনে
নেওয়া জরুরি। অনেক সময় ফাইল থানায় পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় পুরো প্রক্রিয়া থেমে থাকে।
এরপর সংশ্লিষ্ট থানায় সরাসরি গিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, যেমন, জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট আবেদন রসিদ এবং ঠিকানার
প্রমাণ সঙ্গে রাখুন।
এতে কর্মকর্তা সহজেই আপনার ফাইল শনাক্ত করতে পারবেন এবং সমস্যা কোথায় তা জানাতে
পারবেন। যদি ঠিকানা বা তথ্যের কোনো অসামঞ্জস্য থাকে, তাহলে দ্রুত তা সংশোধন করুন
এবং সংশোধিত কাগজপত্র থানায় জমা দিন। অনেক সময় ছোট একটি তথ্যগত ভুলের কারণে
ভেরিফিকেশন দীর্ঘদিন আটকে থাকে। যদি থানায় বারবার যোগাযোগের পরও সমস্যা সমাধান না
হয়, তাহলে পাসপোর্ট অফিসে লিখিতভাবে বিষয়টি জানানো যেতে পারে। অফিসিয়াল অভিযোগ বা
আবেদন করলে অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত সমাধান পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,
অবৈধ উপায় বা দালালের আশ্রয় না নেওয়া। আইনসম্মত ও অফিসিয়াল প্রক্রিয়া অনুসরণ
করলেই সমস্যার স্থায়ী ও নিরাপদ সমাধান সম্ভব।
পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল অভিযোগ দেওয়ার নিয়ম
যদি পুলিশ ভেরিফিকেশন দীর্ঘ সময় আটকে থাকে বা থানায় সরাসরি যোগাযোগের পরও সমস্যার
সমাধান না হয়, তখন পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল অভিযোগ দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
এটি সম্পূর্ণ আইনসম্মত এবং ঝুঁকিমুক্ত পদ্ধতি। প্রথমে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
প্রস্তুত করুন, যেমন আবেদন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র, ঠিকানার প্রমাণ এবং থানার
সঙ্গে পূর্বে করা যোগাযোগের তথ্য। এই কাগজপত্র ছাড়া অফিসিয়াল অভিযোগ গ্রহণ করা
নাও হতে পারে। এরপর পাসপোর্ট অফিসে লিখিতভাবে অভিযোগ জমা দিন।
অভিযোগপত্রে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন, আপনার আবেদন নম্বর, নাম, ঠিকানা এবং পুলিশ
ভেরিফিকেশনের বিলম্ব বা সমস্যা। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট থানার নামও উল্লেখ করুন।
পাসপোর্ট অফিস সাধারণত অভিযোগ পত্রের ভিত্তিতে থানায় অনুস্মারক পাঠায় এবং
প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করে। অফিসে নিয়মিত ফলোআপ করলে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্রুত
সমাধান পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অবৈধ বা দালালের মাধ্যমে নয়,
অফিসিয়াল চ্যানেল ব্যবহার করা। এতে সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হয় এবং আইনগত ঝুঁকি
থাকে না।
আইনগতভাবে বৈধ সমাধান পদ্ধতি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করতে হলে সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আইনগত ও সরকারি নিয়ম অনুসরণ করা। অবৈধ পথ বা দালালের
আশ্রয় নিলে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে বড় আইনগত ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
প্রথমত, আবেদনকারীকে অবশ্যই সঠিক ও সত্য তথ্য প্রদান করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র,
জন্মসনদ ও ঠিকানা সংক্রান্ত তথ্য যদি পাসপোর্ট আবেদনের সঙ্গে মিল না থাকে, তাহলে
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করাই একমাত্র বৈধ উপায়। দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট থানায়
সরাসরি যোগাযোগ করা একটি বৈধ ও স্বীকৃত পদ্ধতি।
থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে
ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া দ্রুত এগোয়। তৃতীয়ত, পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল ফলোআপ করা
আইনসম্মত সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগ বা আবেদন জমা দিলে
পাসপোর্ট অফিস থানায় অনুস্মারক পাঠাতে পারে। চতুর্থত, যদি দীর্ঘদিন সমস্যা সমাধান
না হয়, তাহলে আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট উচ্চতর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারেন।
যেমন, পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করা। এটি
সম্পূর্ণ আইনগতভাবে বৈধ পদ্ধতি।
মন্তব্যঃ পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন না হলে করণীয় কি এই প্রশ্নের উত্তর আসলে জটিল নয়, যদি
বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝা যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভেরিফিকেশন আটকে থাকে তথ্যের
অসামঞ্জস্য, ঠিকানা সমস্যা, কাগজপত্রের ঘাটতি বা প্রশাসনিক বিলম্বের কারণে। তাই
আতঙ্কিত না হয়ে ধাপে ধাপে সমস্যা শনাক্ত করা এবং অফিসিয়াল নিয়ম অনুসরণ করাই
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট থানায় সরাসরি যোগাযোগ,
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট প্রস্তুত, পাসপোর্ট অফিসে অফিসিয়াল ফলোআপ এবং প্রয়োজনে লিখিত
অভিযোগ, এই আইনসম্মত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে অধিকাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব। একই
সঙ্গে দালাল বা অবৈধ পথ এড়িয়ে চললে ভবিষ্যতের ঝুঁকি থেকেও নিরাপদ থাকা যায়।
সবশেষে বলা যায়, সঠিক তথ্য, ধৈর্য এবং সরকারি প্রক্রিয়ার প্রতি আস্থা রাখলে
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান সহজ ও নিশ্চিত হয়ে ওঠে।



আমিন একটিভ নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url